March 10, 2026, 1:10 pm
বিশেষ প্রতিবেদক ॥
কথা ছিলো ঈদকে সামনে রেখে বরিশাল নগরীর যানজট পরিস্থিতি সহনীয় রাখা হবে। এরজন্য পুলিশ থেকে জনবল নিয়ে মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের টহল সদস্য সংখ্যা সাড়ে ৩শ জনে উন্নীত করা হয়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রাস্তায় ডিউটিরত অধিকাংশ ট্রাফিক পুলিশ অদক্ষ এবং নতুন হওয়াতে এরা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যার্থ হয়েছে। অবস্থা এমন বেগতিক হয়েছে যে ‘এই নগরীর মুভমেন্টমাঝেমধ্যেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অলি গলিতেও যানজট পরিলক্ষিত হচ্ছে? আগে যেখানে এই নগরীতে ৮টি যানজট পয়েন্ট ছিলো সেখানে গতকাল ও পরশু নগরীর ৩৮ স্থানে যানজট দেখা গেছে। আর এসব যানজটের কারন ছিলো ট্রাফিক পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা। গত পরশু সদর রোডে ভয়াবহ যানজটের কারন ছিলো ‘লাইন রোডের সামনে সদর রোডে একটি ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিলো, একই সময় একই স্থানে রাস্তার উপরেই চলছিলো ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নির্মানকাজ, রাস্তায় পড়েছিলো নির্মান সামগ্রি। এখানে ট্রাফিক পুলিশ সব চেয়ে চেয়ে দেখছিলো। গতকাল দুপুরে সাগরদি থেকে রুপাতলী পর্ক্সন্ত দীর্ঘ যানজটের কারন ‘সাকুরা পরিবহনের একটি এসি বাস ট্রাফিক পুলিশের সামনেই রাস্তার মাখখানে থামিয়ে যাত্রি ও মালামাল নামাচ্ছিলো। এসময়ও ট্রাফিক পুলিশকে নিষ্ক্রীয় দেখা যায়। সদর রোডে একটি মোটরসাইকেলের উপর একটি সিএনজি ধাক্কা দেয় ট্রাফিকের সামনেই। সাইকেল আরোহী উজ্জ্বল নামের এক ট্রাফিক পুলিশের কাছে সহায়তা চাইলে তিনি জবাব দেন, “আমি দারোয়ান না”। এদিকে যানজট পরিস্থিতির মধ্যেও সদর রোডের যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং করা হচ্ছে, ফুটপাত দখল করে বিভিন্ন শো রুমের ডেকরেশনের কাজ করা হচ্ছে, গির্জা মহল্লায় ফুটপাথ ছাড়িয়ে রাস্তা দখল করে রাখা হচ্ছে মোটরসাইকেল। রাস্তা দখল করে বিক্রি করা হচ্ছে ইফতার সামগ্রি। সব কিছুই করা হচ্ছে ট্রাফিকদের সাথে লেনদেন করে। এমন পরিস্থিতি, সদর রোড, স্ব রোড, চক বাজার, বাজার
রোড, চৌমাথা, বটতলা, চৈতন্যস্কুল মোড়, বগুরা রোড, কাকলী মোড়, নতুন বাজার, বৈদ্যপাড়া, নথুল্লাবাদ, রুপাতলী, আমতলা, সাগরদিসহ এই নগরীর ৩৮ স্থানে।
Leave a Reply